,
সংবাদ শিরোনাম :
» « ইটাগাছা ভিআইপি শ্রমিক ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের দায়িত্বভার গ্রহণ» « মাদ্রাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বাদির বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগ» « শ্যামনগরে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সভা ও চাউল বিতরণ» « শ্যামনগরে মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম তালবীজ রোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন» « সরিষাবাড়ীতে পৌর কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত» « আজ মোংলা থানা ও সার্কেল অফিস পরির্দশনে আসছেন অতিরিক্ত ডি আই জি মো: হাবিবুর রহমান» « মোংলা বন্দরে শ্রমিক বেতন বৈষম্য,বিঘিœত হতে পারে আমদানী রপ্তানী কাজ» « পবিত্র হিজরি নববর্ষ আজ ১ অক্টোবর আশুরা» « রাম রহিমের বায়োপিকে রাখি সাওয়ান্ত, উন্মুক্ত হবে বাবা-মেয়ের সম্পর্ক!» « ভারতে টি-২০ সিরিজ খেলবেন না কামিন্স

সুন্দরবনে এপর্যন্ত র‌্যাবের হাতে ৯২জন জলদস্যুর আত্মসমর্পন ১৯৫টি আগ্নিয় অস্ত্র ও ১০১৪৩টি গুলি উদ্ধার

কে. রুহুল আমীন, বাগেরহাট থেকেঃর‌্যাবের কঠোর তৎপরতার কারণে সুন্দরবনে গত ৯মাসে কুখ্যাত জলদস্যু “মাষ্টার বাহিনীর” ১০ জন জলদস্যু ৫২টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রায় ৩৯০৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ১৪ জুলাই ২০১৬ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “মজনু ও ইলিয়াস বাহিনীর” ১১ জন জলদস্যু ২৫ টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১০২০ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “আলম ও শান্ত বাহিনীর” ১৪ জন জলদস্যু ২০ টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং সর্বমোট ১০০৮ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ১৯ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “সাগর বাহিনীর” ১৩ জন জলদস্যু ২০টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫৯৬ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ২৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “খোকাবাবু বাহিনী” ১২জন জলদস্যু ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ ও গত ০৬ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “নোয়া বাহিনী” ১২জন জলদস্যু ২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১০৫ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং সর্বশেষ গত ২৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “জাহাঙ্গীর বাহিনী” ২০জন জলদস্যু ৩১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৫০৭ রাউন্ড বিভিন্ন প্রকার গোলাবারুদসহ র‌্যাব-৮ এর নিকট আত্মসমর্পন করে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘‘নুরু’’ বাহিনী কর্তৃক জেলেদের প্রতি নৃশংতা ও ডাকাতি কার্যক্রমে ক্রমাগত ঘটনা অত্র ব্যাটালিয়নের গোচরে আসে। বর্তমান সময়ে উক্ত বাহিনী পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষিরা রেঞ্জের শিবসা, আড়পাঙ্গাসিয়া, ছোটকলাগাছিয়া নদী এবং সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন চর অঞ্চলে উলে−খযোগ্য সংখ্যক জেলে অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়সহ নৃশংস ডাকাতী কাজ করছে বলে জাতীয় পত্র পত্রিকা ও মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
বর্ণিত ‘‘নুরু’’ বাহিনীর অবস্থান সনাক্তের ব্যাপারে র‌্যাব-৮ তার গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। গোয়েন্দা তথ্য, বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এবং স্থানীয়দের তথ্য মতে জ্ঞাত হওয়া যায় যে, ‘‘নুরু’’ বাহিনী সুন্দরবনের আড়পাঙ্গাসিয়া, ছোটকলাগাছিয়া নদী এবং নদী সংলগ্ন বিভিন্ন খাল ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় নিরীহ জেলেকে অপহরণ ও মাছ ধরার ট্রলারে লুটপাট চালায়। অপহরণ পরবর্তী কৌশলে জেলেদের পরিবারকে ফোন করে জন প্রতি বিপুল অংকের টাকা মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপন দিয়ে কতিপয় জেলে ছাড়া পায় এবং মুক্তিপণ দিতে অপারগ জেলেদের অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাতী প্রবণ এলাকা সমূহে র‌্যাব-৮ তার গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করে। এরই ফলশ্রুতিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ ‘‘নুরু’’ বাহিনীর সম্ভাব্য আস্তানা সনাক্ত হবার সাথে সাথেই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে র‌্যাব-৮, বরিশাল, সদর কোম্পানী একটি আভিযানিক দল ছোট কলাগাছি নদীর ধরে গোয়েন্দা দ্বারা চিহ্নিত এলাকার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। অদ্য সকাল ১৩ ফের্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৮.১৫ ঘটিকায় পশুরতলা খাল নামক স্থানের কাছাকাছি পৌছলে বাইনোকুলারের সাহায্যে নিবিড়ভাবে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করে বনের ভিতর কয়েকজন লোককে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। আভিযানিক দলটি কৌশলগত ভাবে সাবধনতার সাথে তাদের দিকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যেতে থাকে। র‌্যাব সদস্যগন কৌশল অবলম্বন করে তাদের কাছাকাছি পৌছালে সন্দেহভাজন দস্যুরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাব সদস্যদের উপর গুলিবর্ষন শুরু করে। সরকারী সস্পদ ও জানমাল রক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যগনও পাল্টা গুলিবর্ষন করে। ১৩ ফের্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ আনুমানিক ০৮.৩০ ঘটিকা হতে ০৯.০০ ঘটিকা পর্যন্ত প্রায় ৩০ মিনিট ব্যাপি গুলি বিনিময়ের পর জলদস্যুরা গহীন সুন্দরবনের মধ্যে পলায়ন করে। অপর আভিযানিক দলকে বেতার যন্ত্রে যোগাযোগের মাধ্যমে নিকটবর্তী হয়। গুলি বর্ষন বন্ধ হলে বনের ভিতর বেশকিছু জলদস্যু-বনদস্যুদের অস্ত্রসহ দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে র‌্যাবের আভিযানিক দল তাদেরকে ধাওয়া করে অস্ত্র ও গুলিসহ ০২জন জলদস্যু-বনদস্যুকে আটক করে। আটককৃত জলদস্যু-বনদস্যুদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কুখ্যাত জলদস্যু-বনদস্যু “নুরু বাহিনীর” প্রধান-উপ-প্রধান বলে নিুে বর্নিত নাম ও পরিচয় প্রদান করেঃ (১) মোঃ নূর হোসেন ওরফে দালাল, ওরফে নুরু (৩৩), পিতাঃ মৃতঃ জাকির আলী দালাল, সাং- বাগআচড়া, থানাঃ শার্শা, যশোর (২) মোঃ আব্বাস আলী গাজী (৩৫), পিতাঃ মৃতঃ বশির গাজী, সাং- আলীপুর, থানাঃ সাতক্ষীরা সদর, জেলাঃ সাতক্ষীরা উল্লেখিত জলদস্যু/বনদস্যু’সহ এবং ঘটনার আকস্মিকতায় উক্ত স্থান ও আশেপাশে জড়ো হওয়া বনজীবি জেলে, বাওয়ালী ও মাওয়ালীদের সহযোগীতায় ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশী করে বনের মধ্য হতে জলদস্যুদের ব্যবহৃত (১) ০২টি বিদেশী একনালা বন্দুক (২) ০১টি বিদেশী দোনালা বন্দুক (৩) ০১টি বিদেশী কাটা রাইফেল (৪) বিভিন্ন অস্ত্রের ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে)। উল্লেখ্য উদ্ধারকৃত আলামত ও সরঞ্জামাদি পর্যবেক্ষন করে সেখানে ৮ থেকে ১০ জন জলদস্যুর অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে ধারনা লাভ করা যায়। “নুরু বাহিনী’’ সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জে সংগঠিত ও শক্তি সঞ্চার করে বিপুল বিক্রমে ডাকাতি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল। এ বাহিনীর প্রধান মোঃ নূর হোসেন ওরফে দালাল ওরফে নুরু অতীতে জলদস্যু “আলম বাহিনী’’ ও ” খোকা বাবু বাহিনীতে’’ জলদস্যু হিসেবে ডাকাতি করেছে বলে জানা যায়। উল্লেখ্য, বিগত কয়েক মাসে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম রেঞ্জ হতে নয়টি সংঘবদ্ধ জলদস্যু বাহিনী আত্মসমর্পন করায় কিছু আঞ্চলিক ও ক্ষুদ্র জলদস্যু বাহিনী আধিপত্য বিস্তার করে উক্ত অঞ্চল সমূহে সক্রিয় হবার চেষ্ঠা করছে। উক্ত জলদস্যু বাহিনী সমূহকে আইনের আওতায় আনয়নে র‌্যাব-৮ এর কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।
উপরোক্ত বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পলায়নরত অন্যান্য জলদস্যুদের আটকে র‌্যাবের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সুন্দরবনে এপর্যন্ত র‌্যাবের হাতে ৯২জন জলদস্যুর আত্মসমর্পন
১৯৫টি আগ্নিয় অস্ত্র ও ১০১৪৩টি গুলি উদ্ধার
কে. রুহুল আমীন, বাগেরহাট থেকেঃ
র‌্যাবের কঠোর তৎপরতার কারণে সুন্দরবনে গত ৯মাসে কুখ্যাত জলদস্যু “মাষ্টার বাহিনীর” ১০ জন জলদস্যু ৫২টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রায় ৩৯০৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ১৪ জুলাই ২০১৬ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “মজনু ও ইলিয়াস বাহিনীর” ১১ জন জলদস্যু ২৫ টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১০২০ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “আলম ও শান্ত বাহিনীর” ১৪ জন জলদস্যু ২০ টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র এবং সর্বমোট ১০০৮ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ১৯ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “সাগর বাহিনীর” ১৩ জন জলদস্যু ২০টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫৯৬ রাউন্ড গোলাবারুদ, গত ২৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “খোকাবাবু বাহিনী” ১২জন জলদস্যু ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ ও গত ০৬ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “নোয়া বাহিনী” ১২জন জলদস্যু ২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১০৫ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং সর্বশেষ গত ২৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু “জাহাঙ্গীর বাহিনী” ২০জন জলদস্যু ৩১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৫০৭ রাউন্ড বিভিন্ন প্রকার গোলাবারুদসহ র‌্যাব-৮ এর নিকট আত্মসমর্পন করে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘‘নুরু’’ বাহিনী কর্তৃক জেলেদের প্রতি নৃশংতা ও ডাকাতি কার্যক্রমে ক্রমাগত ঘটনা অত্র ব্যাটালিয়নের গোচরে আসে। বর্তমান সময়ে উক্ত বাহিনী পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষিরা রেঞ্জের শিবসা, আড়পাঙ্গাসিয়া, ছোটকলাগাছিয়া নদী এবং সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন চর অঞ্চলে উলে−খযোগ্য সংখ্যক জেলে অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়সহ নৃশংস ডাকাতী কাজ করছে বলে জাতীয় পত্র পত্রিকা ও মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
বর্ণিত ‘‘নুরু’’ বাহিনীর অবস্থান সনাক্তের ব্যাপারে র‌্যাব-৮ তার গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে। গোয়েন্দা তথ্য, বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এবং স্থানীয়দের তথ্য মতে জ্ঞাত হওয়া যায় যে, ‘‘নুরু’’ বাহিনী সুন্দরবনের আড়পাঙ্গাসিয়া, ছোটকলাগাছিয়া নদী এবং নদী সংলগ্ন বিভিন্ন খাল ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় নিরীহ জেলেকে অপহরণ ও মাছ ধরার ট্রলারে লুটপাট চালায়। অপহরণ পরবর্তী কৌশলে জেলেদের পরিবারকে ফোন করে জন প্রতি বিপুল অংকের টাকা মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপন দিয়ে কতিপয় জেলে ছাড়া পায় এবং মুক্তিপণ দিতে অপারগ জেলেদের অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাতী প্রবণ এলাকা সমূহে র‌্যাব-৮ তার গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করে। এরই ফলশ্রুতিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ ‘‘নুরু’’ বাহিনীর সম্ভাব্য আস্তানা সনাক্ত হবার সাথে সাথেই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে র‌্যাব-৮, বরিশাল, সদর কোম্পানী একটি আভিযানিক দল ছোট কলাগাছি নদীর ধরে গোয়েন্দা দ্বারা চিহ্নিত এলাকার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। অদ্য সকাল ১৩ ফের্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৮.১৫ ঘটিকায় পশুরতলা খাল নামক স্থানের কাছাকাছি পৌছলে বাইনোকুলারের সাহায্যে নিবিড়ভাবে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করে বনের ভিতর কয়েকজন লোককে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। আভিযানিক দলটি কৌশলগত ভাবে সাবধনতার সাথে তাদের দিকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যেতে থাকে। র‌্যাব সদস্যগন কৌশল অবলম্বন করে তাদের কাছাকাছি পৌছালে সন্দেহভাজন দস্যুরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাব সদস্যদের উপর গুলিবর্ষন শুরু করে। সরকারী সস্পদ ও জানমাল রক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যগনও পাল্টা গুলিবর্ষন করে। ১৩ ফের্রুয়ারি ২০১৭ তারিখ আনুমানিক ০৮.৩০ ঘটিকা হতে ০৯.০০ ঘটিকা পর্যন্ত প্রায় ৩০ মিনিট ব্যাপি গুলি বিনিময়ের পর জলদস্যুরা গহীন সুন্দরবনের মধ্যে পলায়ন করে। অপর আভিযানিক দলকে বেতার যন্ত্রে যোগাযোগের মাধ্যমে নিকটবর্তী হয়। গুলি বর্ষন বন্ধ হলে বনের ভিতর বেশকিছু জলদস্যু-বনদস্যুদের অস্ত্রসহ দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে র‌্যাবের আভিযানিক দল তাদেরকে ধাওয়া করে অস্ত্র ও গুলিসহ ০২জন জলদস্যু-বনদস্যুকে আটক করে। আটককৃত জলদস্যু-বনদস্যুদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কুখ্যাত জলদস্যু-বনদস্যু “নুরু বাহিনীর” প্রধান-উপ-প্রধান বলে নিুে বর্নিত নাম ও পরিচয় প্রদান করেঃ (১) মোঃ নূর হোসেন ওরফে দালাল, ওরফে নুরু (৩৩), পিতাঃ মৃতঃ জাকির আলী দালাল, সাং- বাগআচড়া, থানাঃ শার্শা, যশোর (২) মোঃ আব্বাস আলী গাজী (৩৫), পিতাঃ মৃতঃ বশির গাজী, সাং- আলীপুর, থানাঃ সাতক্ষীরা সদর, জেলাঃ সাতক্ষীরা উল্লেখিত জলদস্যু/বনদস্যু’সহ এবং ঘটনার আকস্মিকতায় উক্ত স্থান ও আশেপাশে জড়ো হওয়া বনজীবি জেলে, বাওয়ালী ও মাওয়ালীদের সহযোগীতায় ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশী করে বনের মধ্য হতে জলদস্যুদের ব্যবহৃত (১) ০২টি বিদেশী একনালা বন্দুক (২) ০১টি বিদেশী দোনালা বন্দুক (৩) ০১টি বিদেশী কাটা রাইফেল (৪) বিভিন্ন অস্ত্রের ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে)। উল্লেখ্য উদ্ধারকৃত আলামত ও সরঞ্জামাদি পর্যবেক্ষন করে সেখানে ৮ থেকে ১০ জন জলদস্যুর অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে ধারনা লাভ করা যায়। “নুরু বাহিনী’’ সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জে সংগঠিত ও শক্তি সঞ্চার করে বিপুল বিক্রমে ডাকাতি করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল। এ বাহিনীর প্রধান মোঃ নূর হোসেন ওরফে দালাল ওরফে নুরু অতীতে জলদস্যু “আলম বাহিনী’’ ও ” খোকা বাবু বাহিনীতে’’ জলদস্যু হিসেবে ডাকাতি করেছে বলে জানা যায়। উল্লেখ্য, বিগত কয়েক মাসে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম রেঞ্জ হতে নয়টি সংঘবদ্ধ জলদস্যু বাহিনী আত্মসমর্পন করায় কিছু আঞ্চলিক ও ক্ষুদ্র জলদস্যু বাহিনী আধিপত্য বিস্তার করে উক্ত অঞ্চল সমূহে সক্রিয় হবার চেষ্ঠা করছে। উক্ত জলদস্যু বাহিনী সমূহকে আইনের আওতায় আনয়নে র‌্যাব-৮ এর কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।
উপরোক্ত বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পলায়নরত অন্যান্য জলদস্যুদের আটকে র‌্যাবের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

সর্বশেষ আপডেট

বার্তা,বাণিজ্যিক.কার্যালয়ঃ২৬২/ক বাগিচাবাড়ি(৩য়তলা)মতিঝিল,ঢাকা-১০০০।ফোনঃ৮৮০১৯১২৩৩৮৮৩৪
somoyerkantha@gmail.cm

সম্পাদক/প্রকাশক : মোঃবোরহান হাওলাদার(জসিম) নির্বাহী-সম্পাদক:সাথী আক্তার.সহ সম্পাদকঃসালাউদিন আকাশ বার্তা সম্পাদক:এম,কে সুমন