,
সংবাদ শিরোনাম :

রৌমারী’র চরশৌলমারী ইউনিয়নে এলজিএসপি’র কাজে ব্যাপক অনিয়ম

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রৌমারী’র চরশৌলমারী ইউনিয়নে এলজিএসপি প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।২০১৬/১৭ অর্থবছরে ২য় কিস্তির আওতায় চরশৌলমারী ইউনয়নে ৮টি প্রকল্পের বিপরীতে ১১লাখ ৮১হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, কাজাই কাটা ইয়াদ আলী মাষ্টারের বাড়ির পশ্চিম পাশ্বে খালে ১৫ফিট ৮ফিট বক্স কালভার্ট নির্মাণ ৪লক্ষ টাকা।চরশৌলমারী ইউনিয়নে দরিদ্রদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণে ২লক্ষ টাকা। ওই ইউনিয়নে বাল্য বিয়ে রোধ কল্পে ওয়ার্কসপ ২৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ সরবরাহ ১লাখ ৫৬ হাজার টাকা। চরকাজাই কাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিনে রাস্তায় বক্স কালভার্ট নির্মণ ৪ লাখ টাকা।ঘুঘুমারী হামেদ গাড়িয়ালের বাড়ির পশ্চিম পাশ্বে রাস্তায় ইউ কালভার্ট নির্মাণ ১লাখ টাকা। ওই ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় জরুরী সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জমান ১লাক্ষ টাকা। ইউনিয়ন পরিষদ পাঠাগারের জন্য ৫০ হাজার টাকা।
কাগজে প্রকল্প থাকলেও সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে ২টি বক্স কালভার্ট ছাড়া অন্য কোন প্রকল্প চোখে পড়েনি। অপরদিকে চরশৌলমারী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান জানান, ২০টি বেঞ্চ বাবদ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছেন চরশৌলমারী ইউপি সচিব আতাউর রহমান। এলজিএসপি প্রকল্প বিষয়ে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ, মশিউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান ফজলুল হক আমাদের সাথে প্রকল্প বিষয়ে কোন সমন্বয় করেন না। চেয়ারম্যান মনগড়া ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন।
এবিষয়ে রৌমারী এলজিইডি প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন,
এলজিএসপির ম্যানুয়েল অনুসারে উপজেলা এলজিইডি’র একজন সার্বএসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার কতৃক প্রকল্পের প্রাক্কলন তৈয়ারী করতে হয়। তাই চরশৌলমারী ইউনিয়নের প্রাক্কলন তৈয়ারী করার দায়িত্বে রয়েছেন রৌমারী এলজিইডি’র সাবএসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা। এব্যাপারে এলজিইডি সাবএসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলজিএসপি বিষয়ে চরশৌলমারী ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের প্রকল্পের প্রাক্কলন তৈয়ারীর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সকল প্রকল্পের প্রাক্কলন তিনি করলেও, চরশৌলমারী ইউনিয়নের ৮টি প্রকল্পের একটিও তার কাছে করে নেওয়া হয়নি।
তবে চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল হক তার ইউনিয়নের আয় ব্যয়, প্রকল্প নির্ধারণ, বাস্তবায়ন কোন বিষয় কাউকে তোয়াক্কা করেননা।তার খেয়াল-খুশিমত ওই পরিষদের সচিবের যোগসাজসে লোপাট করে থাকেন।ওই ইউনিয়নের প্রকল্প তছনছ করার নাটের গুরু সচিব আতাউর রহমান। সচিবের নিকট প্রকল্পের তথ্য ও কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে উত্তেজিত ভাবে জবাব দেন, কাজ বেগটি করছি যা নেহা পারস নেহেগগা।
চেয়ারম্যান ফজলুল হকের নিকট কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি বলেন কাজ শেষ করা হয়েছে।চেয়ারম্যান ফজলুল হক তার পরিষদের কাউকে তোয়াক্কা নাকরে যাইচ্ছে তা করে যাচ্ছে।এলজিএসপি বিষয়ে স্থানীয় সরকার জেলা কর্মকর্তা ফারুক আহাম্মেদ জানান, এলজিএসপি বিষয়ে দুনিতীর সুনিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রৌমারী’র চরশৌলমারী ইউনিয়নে এলজিএসপি’র কাজে ব্যাপক অনিয়ম
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রৌমারী’র চরশৌলমারী ইউনিয়নে এলজিএসপি প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।২০১৬/১৭ অর্থবছরে ২য় কিস্তির আওতায় চরশৌলমারী ইউনয়নে ৮টি প্রকল্পের বিপরীতে ১১লাখ ৮১হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, কাজাই কাটা ইয়াদ আলী মাষ্টারের বাড়ির পশ্চিম পাশ্বে খালে ১৫ফিট ৮ফিট বক্স কালভার্ট নির্মাণ ৪লক্ষ টাকা।চরশৌলমারী ইউনিয়নে দরিদ্রদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণে ২লক্ষ টাকা। ওই ইউনিয়নে বাল্য বিয়ে রোধ কল্পে ওয়ার্কসপ ২৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ সরবরাহ ১লাখ ৫৬ হাজার টাকা। চরকাজাই কাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিনে রাস্তায় বক্স কালভার্ট নির্মণ ৪ লাখ টাকা।ঘুঘুমারী হামেদ গাড়িয়ালের বাড়ির পশ্চিম পাশ্বে রাস্তায় ইউ কালভার্ট নির্মাণ ১লাখ টাকা। ওই ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় জরুরী সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জমান ১লাক্ষ টাকা। ইউনিয়ন পরিষদ পাঠাগারের জন্য ৫০ হাজার টাকা।
কাগজে প্রকল্প থাকলেও সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে ২টি বক্স কালভার্ট ছাড়া অন্য কোন প্রকল্প চোখে পড়েনি। অপরদিকে চরশৌলমারী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান জানান, ২০টি বেঞ্চ বাবদ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছেন চরশৌলমারী ইউপি সচিব আতাউর রহমান। এলজিএসপি প্রকল্প বিষয়ে চরশৌলমারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ, মশিউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান ফজলুল হক আমাদের সাথে প্রকল্প বিষয়ে কোন সমন্বয় করেন না। চেয়ারম্যান মনগড়া ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন।
এবিষয়ে রৌমারী এলজিইডি প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন,
এলজিএসপির ম্যানুয়েল অনুসারে উপজেলা এলজিইডি’র একজন সার্বএসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার কতৃক প্রকল্পের প্রাক্কলন তৈয়ারী করতে হয়। তাই চরশৌলমারী ইউনিয়নের প্রাক্কলন তৈয়ারী করার দায়িত্বে রয়েছেন রৌমারী এলজিইডি’র সাবএসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা। এব্যাপারে এলজিইডি সাবএসিসটেন্ট ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলজিএসপি বিষয়ে চরশৌলমারী ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের প্রকল্পের প্রাক্কলন তৈয়ারীর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের সকল প্রকল্পের প্রাক্কলন তিনি করলেও, চরশৌলমারী ইউনিয়নের ৮টি প্রকল্পের একটিও তার কাছে করে নেওয়া হয়নি।
তবে চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল হক তার ইউনিয়নের আয় ব্যয়, প্রকল্প নির্ধারণ, বাস্তবায়ন কোন বিষয় কাউকে তোয়াক্কা করেননা।তার খেয়াল-খুশিমত ওই পরিষদের সচিবের যোগসাজসে লোপাট করে থাকেন।ওই ইউনিয়নের প্রকল্প তছনছ করার নাটের গুরু সচিব আতাউর রহমান। সচিবের নিকট প্রকল্পের তথ্য ও কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে উত্তেজিত ভাবে জবাব দেন, কাজ বেগটি করছি যা নেহা পারস নেহেগগা।
চেয়ারম্যান ফজলুল হকের নিকট কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি বলেন কাজ শেষ করা হয়েছে।চেয়ারম্যান ফজলুল হক তার পরিষদের কাউকে তোয়াক্কা নাকরে যাইচ্ছে তা করে যাচ্ছে।এলজিএসপি বিষয়ে স্থানীয় সরকার জেলা কর্মকর্তা ফারুক আহাম্মেদ জানান, এলজিএসপি বিষয়ে দুনিতীর সুনিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Post

সর্বশেষ আপডেট

সম্পাদক/ প্রকাশক:মোঃ বোরহান হাওলাদার(জসিমবার্তাবাণিজ্যিকার্যালয়:S.A.Bhaban(6thfloor)115/23 lnner circularroad
,motijheelC/A,Dhaka.1000.

সম্পাদক/ প্রকাশক:মোঃ বোরহান হাওলাদার (জসিম)
বার্তা বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ২৬২/ক .ফকিরের পুল বাগেচা বাড়ি(২য় তলা), মতিঝিল,ঢাকা।১০০০-মোবাইল:০১৭১৮৭০৫৮৯৯.০১৯১২৩৩৮৮৩৪